
ছবি: সংগৃহীত
আকস্মিক ঢলে বিপর্যস্ত ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তরাখণ্ড। সেখানে সৃষ্ট বন্যায় ভেসে গেছে উত্তরকাশি জেলার ধরালি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা। এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে ১১ সেনা সদস্যসহ অর্ধশতাধিক মানুষ।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টির পর স্থানীয় ক্ষীরগঙ্গা নদীর পানি উপচে পড়ে। এতে বিধ্বস্ত হয় অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ও স্থাপনা। সেইসাথে তলিয়ে যায় রাস্তাঘাট।
দেখা গেছে তীব্র গতিতে সেখানকার ঢালু অঞ্চলে নেমে আসছে পাহাড়ি ঢল। পূর্ণশক্তির পানির স্রোত ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বাড়িঘর, রাস্তাঘাটসহ পাহাড়ের পাদদেশ ঘেষা গ্রামটি।
ক্ষীরগঙ্গা নদীর অববাহিকায় ধরালি গ্রামটির অবস্থান। স্বল্প সময়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় বিপৎসীমা পেরিয়ে গেছে নদীটির পানির উচ্চতা। আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হয়েছে গ্রামটির বিস্তীর্ণ এলাকা। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় বিছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থাও।
উদ্ধার তৎপরতায় যোগ দিয়েছে ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা টিমের সদস্যরা। অংশ নিচ্ছে সেনা সদস্যসহ স্থানীয়রাও। তবে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকাজ। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আবহাওয়া অনেক বেশি খারাপ হওয়ায় উদ্ধারকাজ বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট ও ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক স্থানেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তবুও, উদ্ধারকাজে নিয়োজিত সকলেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এখন অবধি বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান গঙ্গোত্রী যাওয়ার পথেই পড়ে গ্রামটি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সারাবছরই গ্রামটিতে মানুষের আনাগোনা থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির শঙ্কা রয়েছে। বন্যার কবলে পাশেই অবস্থিত হারশিল সেনা ক্যাম্পও।
উল্লেখ্য, ভারী বৃষ্টিপাত চলমান থাকায় অঞ্চলটিতে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে প্রশাসন। রাজ্যটির চামোলি, আলমোরা ও হরিদ্বারসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অন্যান্য পরিষেবা।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: আল আমিন সরকার
মোবাইল: +8801676791162
অফিস : 378/6, East Goran, Khilgaon, Dhaka-1219.
ইমেইল : sbservicesltd2025@gmail.com
Design & Development By HosterCube Ltd.