
বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিচারিক আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের খালাস দিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে অব্যাহত রয়েছে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চে এই শুনানি চলছে।
মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫, এই আপিলের ওপর তৃতীয় দিনের মতো শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ এবং তাকে সহায়তা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবু সাদাত মো. সায়েম ভূঞা ও সাদিয়া আফরিন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান, মোহাম্মদ শিশির মনির এবং মোহিনুর রহমান।
রাষ্ট্রপক্ষ শুনানিতে হাইকোর্টের রায় বাতিল করে বিচারিক আদালতের রায় বহাল রাখার আর্জি জানিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের বক্তব্য শুরু করেছেন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এই হামলায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুরুতর আহত হন এবং আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত হন। আহত হন কয়েকশ মানুষ।
এই ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দুটি মামলায় ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া, আরও ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
পরে ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট সকল আসামিকে খালাস দিয়ে রায় দেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধেই রাষ্ট্রপক্ষ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করে, যার শুনানি বর্তমানে চলছে।
বিচারিক আদালতের রায়ে মোট ৪৯ জন আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছিল। এদের মধ্যে ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও তারেক রহমানসহ ১৫ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন:
পলাতক আসামিদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি আছে এবং তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মামলার বিচারিক কার্যক্রমের দীর্ঘসূত্রতা এবং গুরুত্বপূর্ণ আসামিদের পলাতক থাকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও উদ্বেগ রয়েছে। দেশবাসী এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের চূড়ান্ত বিচার ও রায় কার্যকরের অপেক্ষায় রয়েছে।বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিচারিক আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের খালাস দিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে অব্যাহত রয়েছে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চে এই শুনানি চলছে।
মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫, এই আপিলের ওপর তৃতীয় দিনের মতো শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ এবং তাকে সহায়তা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবু সাদাত মো. সায়েম ভূঞা ও সাদিয়া আফরিন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষে উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান, মোহাম্মদ শিশির মনির এবং মোহিনুর রহমান।
রাষ্ট্রপক্ষ শুনানিতে হাইকোর্টের রায় বাতিল করে বিচারিক আদালতের রায় বহাল রাখার আর্জি জানিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের বক্তব্য শুরু করেছেন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এই হামলায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুরুতর আহত হন এবং আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত হন। আহত হন কয়েকশ মানুষ।
এই ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দুটি মামলায় ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া, আরও ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
পরে ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট সকল আসামিকে খালাস দিয়ে রায় দেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধেই রাষ্ট্রপক্ষ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করে, যার শুনানি বর্তমানে চলছে।
বিচারিক আদালতের রায়ে মোট ৪৯ জন আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছিল। এদের মধ্যে ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও তারেক রহমানসহ ১৫ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন:
পলাতক আসামিদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি আছে এবং তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মামলার বিচারিক কার্যক্রমের দীর্ঘসূত্রতা এবং গুরুত্বপূর্ণ আসামিদের পলাতক থাকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও উদ্বেগ রয়েছে। দেশবাসী এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের চূড়ান্ত বিচার ও রায় কার্যকরের অপেক্ষায় রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: আল আমিন সরকার
মোবাইল: +8801676791162
অফিস : 378/6, East Goran, Khilgaon, Dhaka-1219.
ইমেইল : sbservicesltd2025@gmail.com
Design & Development By HosterCube Ltd.