
ঢাকা, ২৬ আগস্ট, ২০২৫: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক পুলিশ প্রধান (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার নবম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই সাক্ষ্যগ্রহণ চলে।
এদিন রাষ্ট্রপক্ষে চারজন সাক্ষী তাদের জবানবন্দি পেশ করার কথা ছিল। তবে দিনের কার্যক্রম শেষে কতজন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং তাদের জবানবন্দিতে কী উঠে এসেছে, সে সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। মামলার অন্যতম আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে এদিনও কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তিনি এই মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে রয়েছেন।
এর আগে, সোমবার (২৫ আগস্ট) মামলার অষ্টম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. খায়ের আহমেদ চৌধুরী এবং একই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. জাকিয়া সুলতানা নীলাসহ পাঁচজন সাক্ষ্য দেন। তারা জুলাই আন্দোলনের সময় আহতদের চিকিৎসার ভয়াবহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং জানান কিভাবে বহু আন্দোলনকারী তাদের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। এছাড়া, রামপুরায় নিহত মারুফের বাবাও সাক্ষ্য দিয়ে অভিযোগ করেন যে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও ছাত্রলীগের সদস্যরা তার গুলিবিদ্ধ ছেলের অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখায় চিকিৎসায় বিলম্ব হয় এবং পরবর্তীতে তার মৃত্যু হয়।
এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তারা এই মামলায় মোট ৮১ জন সাক্ষী উপস্থাপন করবেন।
উল্লেখ্য, গত ১০ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় দায়েরকৃত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা মামলা পরিচালনা করছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: আল আমিন সরকার
মোবাইল: +8801676791162
অফিস : 378/6, East Goran, Khilgaon, Dhaka-1219.
ইমেইল : sbservicesltd2025@gmail.com
Design & Development By HosterCube Ltd.