আজকাল মোবাইল ফোন, ফিটনেস ট্র্যাকার থেকে শুরু করে স্মার্টওয়াচ - সব কিছুতেই ডিজিটাল পেডোমিটারের চাহিদা তুঙ্গে। এর কারণ হলো মানুষ দিন দিন নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি মনোযোগী হতে শুরু করেছে। অনেকেই মনে করেন, প্রতিদিন ১০ কদম হাঁটা ওজন কমাতে সাহায্য হতে পারে। এ কারণে কেউ কেউ প্রতিদিন এই সংখ্যাটি অর্জন করার জন্য ব্যাকুল থাকেন। ১০ হাজার কদম হাঁটলে আসলেই কি শরীরের জন্য উপকারী হয়?
প্রতিদিন শারীরিক কার্যক্রমে অংশ নিলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, হজমের সমস্যা এবং এমনকি বিষণ্ণতার মতো বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। আপনি যত বেশি সক্রিয় হবেন, স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে নিজেকে রক্ষা করা সহজ হবে। প্রতিদিন ১০ হাজার কদম হাঁটলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-
শরীরে কম চর্বি জমা হয়
যারা নিয়মিত ১০ হাজার কদম হাঁটেন, তাদের গ্রহণ করা ক্যালোরি শরীরে জমা হয় না, যা সাধারণত অলস জীবনযাপনকারীদের ক্ষেত্রে হয়। এর কারণ হলো, ক্যালোরি তাৎক্ষণিকভাবে শরীরের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যারা শারীরিকভাবে সক্রিয় নন, তাদের গ্রহণ করা ক্যালোরি কেবল শরীরে চর্বি হিসেবে জমা হয়, ফলে ছুটির দিনে অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে তাদের ওজন বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
মেজাজ ভালো রাখে এবং মানসিক চাপ কমায়
নিয়মিত হাঁটার আরেকটি উপকারিতা হলো এটি আপনার সার্বিক মেজাজ ভালো করতে সাহায্য করে। এর কারণ হলো, আপনার হৃৎপিণ্ড নিয়মিত পাম্প করতে থাকে, যার ফলে শরীরে আরও বেশি অক্সিজেন সঞ্চালিত হয়। যখন এটি ঘটে, তখন আপনার অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সঠিকভাবে কাজ করে, যার মধ্যে এমন হরমোন উৎপাদনও হয় যা আপনাকে সার্বিকভাবে ভালো অনুভব করায়। এ কারণে মানসিক চাপ বা মন খারাপ বোধ হলে একটু বিরতি নিন এবং হেঁটে আসুন। দেখবেন, কিছুক্ষণ হাঁটলে আপনি কাজে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত বোধ করবেন।
গাঁটের জড়তা দূর করে
প্রতিদিন ১০ হাজার কদম হাঁটার আরেকটি সুবিধা হলো, এটি গাঁটের জড়তা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে, যা সারাদিন শুধু বসে থাকা ব্যক্তিদের একটি সাধারণ সমস্যা। যেহেতু আপনি ক্রমাগত নড়াচড়া করছেন, তাই আপনার গাঁটগুলো ভালোভাবে সচল থাকবে। এই অভ্যাস বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনাকে গাঁটের ব্যথা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে।
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়
নিয়মিমত হাঁটা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
শক্তি জোগায়
প্রতিদিন ১০ হাজার কদম হাঁটা আপনাকে আরও শক্তি সঞ্চয় করতেও সাহায্য করে। সারাদিনের ক্লান্তি কমানোর পাশাপাশি, এটি আপনাকে কর্মক্ষেত্রে আরও উৎপাদনশীল হতে সাহায্য করে।
হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে
নিয়মিত হাঁটা হৃৎপিণ্ডকে আরও শক্তিশালী হতেও সাহায্য করে। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। সূত্র: হেলদিবিল্ডার্জড
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: আল আমিন সরকার
মোবাইল: +8801676791162
অফিস : 378/6, East Goran, Khilgaon, Dhaka-1219.
ইমেইল : sbservicesltd2025@gmail.com
Design & Development By HosterCube Ltd.