আসসালামু আলাইকুম জাতীয়তাবাদী যুবদলের জরুরি সভায় হট্টগোলের ঘটনা নিয়ে বার্তা জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না।
রোববার (৫ জুলাই) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এ পোস্টে তিনি এ বার্তা দেন।
ফেসবুক পোস্টে আব্দুল মোনায়েম মুন্না লেখেন, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের সঙ্গে আমার তিন দশকেরও বেশি সময়ের সম্পর্ক। এখনো এই সম্পর্ক সুসম্পর্কই আছে। আজ আমাদের ১০টি বিভাগীয় সাংগঠনিক গ্রুপ যারা সপ্তাহব্যাপী কাজ করে ঢাকায় ফিরেছে তাদের নিয়ে জরুরি সভা ছিল। যেহেতু ১০টি বিভাগীয় সাংগঠনিক গ্রুপের সঙ্গে আলোচনা, তাই সভাটি দীর্ঘ ছিল বিধায় আজকে আমাদের সভাটি মুলতবি করে আগামীকাল বিকাল ৫টায় আবার সভা শুরুর সময় সর্বসম্মতিক্রমে নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, গণতন্ত্রে তর্ক-বিতর্ক সাধারণ একটি ব্যাপার এবং পক্ষে ও বিপক্ষে বিভিন্ন মতামত থাকতেই পারে। তাই বলে এখানে কোনো ধরনের সমস্যা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে হয়নি। আমরা স্বাভাবিকভাবে সভা মুলতবি করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক একসঙ্গে নিচে নেমে এসেছি। আমি নিজে সাধারণ সম্পাদককে বিদায় দিয়ে কয়েকজন নেতাকর্মীসহ পল্টন মসজিদে আসর নামাজ আদায় করতে গিয়েছি। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টটি সত্য নয়।
এর আগে, রোববার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের চতুর্থ তলায় জাতীয়তাবাদী যুবদলের জরুরি সভায় হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। সদ্যঘোষিত নির্বাহী কমিটিতে নিষ্ক্রিয় ও বিতর্কিতদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তর্ক-বির্তকে জড়িয়ে পড়েন সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন। পরে স্থগিত করা হয় জরুরি সভা।
বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সদ্য ঘোষিত ১৫১ সদস্যের কমিটিতে বিতর্কিতদের দায় একজন আরেকজনের ওপর চাপানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে ওঠে। এ নিয়ে চরম হট্টগোল সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নও নিজেদের মধ্যে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তাদের কথাবার্তা ‘তুই-তুকারির’ পর্যায়ে চলে যায়।
যুবদলের একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জানান, নতুন কমিটির বিতর্কিত ও দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনে নিস্ক্রিয় থাকা সহ-সভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহর অতীত রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চান যুবদলের সভাপতি মুন্না। এ থেকে ঘটনার সূত্রপাত। পালটা সাধারণ সম্পাদক নয়নও নিষ্ক্রিয় মো. কামরুজ্জামান, শামসুজ্জোহা সুমন ও মনিরুল ইসলাম সোহাগের বিগত আন্দোলনে ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেন।
সূত্র জানায়, কমিটির মান ও মর্যাদা নষ্ট হওয়ার জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ একে-অপরকে দোষারোপ করতে থাকে। সদ্যঘোষিত কমিটির সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন, আরেক সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়াকে কক্সবাজারে যথাযথ সন্মান না দেওয়ার বিষয়টি মিটিংয়ে উপস্থাপন করেন। এ সময় মাহমুদুস সালেহীন রাজনীতি না করে পদ পাওয়ার বিষয়ে বেশ কয়েকজন মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন সহ-সভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহকে সতর্ক করে বলেন, ‘তুমি সভাপতির স্বাক্ষরে সহ-সভাপতি হয়েছ’। এমন সময় ফিরোজ আব্দুল্লাহ মিটিং থেকে বের হয়ে যান। পরে উত্তেজনা আরও চরম মাত্রায় পৌঁছালে মিটিং স্থগিত করা হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: আল আমিন সরকার
মোবাইল: +8801676791162
অফিস : 378/6, East Goran, Khilgaon, Dhaka-1219.
ইমেইল : sbservicesltd2025@gmail.com
Design & Development By HosterCube Ltd.