তার সতীর্থ রক্ষণের সেনানী নাহুয়েল মলিনাকে দেওয়া হয়েছে ৭ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা। এ ছাড়া এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন মিডফিল্ডার থিয়াগো আলমাদা এবং ৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পোহাতে হবে সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালাকে। অন্যদিকে স্প্যানিশ শিবির থেকে একমাত্র শাস্তি হিসেবে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন মিডফিল্ডার গাভি।
শুধু ম্যাচ নিষেধাজ্ঞাতেই পার পাচ্ছেন না তারা, পকেটও খসছে বেশ।
মূলত মাঠের অ্যাথলেটিকসুলভ আচরণ লঙ্ঘন, দলের বিশৃঙ্খলা এবং সমর্থকদের বৈষম্যমূলক স্লোগান ও ব্যানার প্রদর্শনের কারণেই এই কড়া পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ কেন্দ্রিক বিতর্কিত ব্যানার প্রদর্শন করে আর্জেন্টিনা সমর্থকরা।
উল্লেখ্য, ঘটনার সূত্রপাত নিউ জার্সির সেই ফাইনাল শেষে। স্পেনের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার পরই মেজাজ হারান পারেদেস। ম্যাচ শেষ হতেই স্প্যানিশ ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার গলা ধরে ধাক্কা মারেন তিনি। বেঞ্চ থেকে গাভি প্রতিবাদ করতে এলে তাকেও মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়, যেখানে পারেদেসের সঙ্গে যোগ দেন মলিনা ও আলমাদা। পরবর্তীতে দুই দলের কোচ ও অন্য ফুটবলাররা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে নড়েচড়ে বসে ফিফা।
আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের ওপর শাস্তির খড়গ নামাটা ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার। অবশেষে সেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই দিল ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।