এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত লুৎফুন্নেছা বেগমের ছেলে শাহীন এবং তার স্ত্রী লাকি আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক কলহের জেরে এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরেই শাহীন ও তার স্ত্রী লাকির সঙ্গে লুৎফুন্নেছা ও তার মেয়ে শিল্পী আক্তারের পারিবারিক বিরোধ চলছিল। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, প্রায়শই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত।
রবিবার বিকেলে ঘরের ভেতরে মা ও মেয়ের সাড়াশব্দ না পাওয়ায় এবং দরজা বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা ভেঙে দুজনের লাশ উদ্ধার করে।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, লাশ দুটিতে কোনো প্রাথমিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
আটককৃত শাহীন ও তার স্ত্রী লাকি আক্তারকে পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।