leadingnews.net
সর্বশেষ :
leadingnews.net এ আপনাকে স্বাগতম।।। নিত্য নতুন খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ।।।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নোয়াবের উদ্বেগ প্রত্যাখ্যান করলো অন্তর্বর্তী সরকার

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫১ বার পঠিত

ঢাকা, ৮ আগস্ট ২০২৫: গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিয়ে নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) কর্তৃক প্রকাশিত উদ্বেগের তীব্র ভাষায় জবাব দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা নোয়াবের দাবিকে “দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান” করে এবং চলমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই বিজ্ঞপ্তিটি পোস্ট করেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কোনো গণমাধ্যমের সম্পাদকীয়, প্রশাসনিক বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করেনি। বরং, “মিথ্যা তথ্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সম্প্রচারের” মুখেও সরকার সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করেছে বলে দাবি করা হয়।

প্রেস উইং উল্লেখ করে, টেলিভিশন টক শো এবং সংবাদপত্রের কলামে সরকার সম্পর্কে “অসত্য ও উসকানিমূলক” বক্তব্য প্রকাশিত হওয়া সত্ত্বেও কোনো ধরনের সেন্সরশিপ আরোপ করা হয়নি। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে বন্ধ করে দেওয়া কিছু গণমাধ্যম পুনরায় চালু করার সুযোগ দেওয়াকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সরকারের অঙ্গীকারের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়।

অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থা সংস্কার ও সাংবাদিক ছাঁটাই

অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে নোয়াবের সমালোচনাকে “তথ্যভিত্তিক নয়” বলে আখ্যায়িত করেছে প্রেস উইং। তাদের মতে, পূর্ববর্তী ব্যবস্থাটি “চরমভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত” ছিল, যেখানে অসাংবাদিকদেরও অ্যাক্সেস পাস দেওয়া হতো। এই ব্যবস্থার সংস্কার করে একটি অস্থায়ী পাস ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যা প্রকৃত সাংবাদিকদের সচিবালয়ে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে, সীমিত করার জন্য নয়।

সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতির বিষয়ে প্রেস উইং জানায়, এটি সরকারের নির্দেশে হয়নি। এই সিদ্ধান্তগুলো গণমাধ্যম মালিকদের “সম্পাদনা সংক্রান্ত ও কৌশলগত কর্পোরেট পুনর্বিন্যাসের” অংশ এবং এটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের “অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক বিবেচনার” ফল।

নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ সংস্কারের আহ্বান

বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকদের শারীরিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়। তবে বলা হয়, এটি কেবল সরকারের একক দায়িত্ব নয়, বরং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, সরকার এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সম্মিলিত দায়িত্ব। এ প্রসঙ্গে, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবিত “সাংবাদিক সুরক্ষা আইন” প্রণয়নের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে জানানো হয়।

সবশেষে, প্রেস উইং গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানিয়ে নোয়াবকে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, যেমন— “মজুরি শোষণ, শ্রম অধিকার অস্বীকার, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছাড়াই প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করানোর মতো গুরুতর বিষয়গুলোর” দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানায়। প্রেস উইং মনে করে, “ত্রুটিপূর্ণ ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে করা অভিযোগ” গণমাধ্যমের প্রকৃত চ্যালেঞ্জগুলো থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দেয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© 2025 | Leading Media & Communication ltd এর এক‌টি প্রতিষ্ঠান।
Design & Development By HosterCube Ltd.