leadingnews.net
সর্বশেষ :
leadingnews.net এ আপনাকে স্বাগতম।।। নিত্য নতুন খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ।।।

সেহরির আগমুহূর্তে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ, দগ্ধ পরিবারের সবাইকে আনা হচ্ছে ঢাকায়

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৪ বার পঠিত

আর কয়েক মিনিট পরই হয়তো সেহরি করার কথা ছিল ওই পরিবারের সদস্যদের। এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কেউ কেউ। কিন্তু মুহূর্তেই ঘটে যায় এক মর্মান্তিক ঘটনা। ওই বাসায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়েছেন নারী-শিশুসহ ৯জন সদস্য। সবার অবস্থায় আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য আনা হচ্ছে ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে চারটার দিকে সেহরি খাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরের এইচ ব্লকের এসি মসজিদ–সংলগ্ন এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এতে দগ্ধ হয়েছেন -শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), মো. শিপন (৩০), মো. সুমন (৪০), মো. শাওন (১৭), মো. আনাস (৭), মো. আইমান (৯), আয়েশা আক্তার (৪), পাখি আক্তার (৩৫) ও রানী আক্তার (৪০)।

তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। দগ্ধদের মধ্যে ১০০ শতাংশ পুড়ে গেছে রানী ও পাখি নামের এই দুই নারীর। এছাড়া শিপন, সুমন , শাওনের ও শাখাওয়াতের ৪০ থেকে ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে। দগ্ধে আয়েশা ও আনাসের শরীরের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ ও প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ দগ্ধ হওয়াকে গুরুতর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যার ফলে এই দুর্ঘটনায় দগ্ধ সবার অবস্থায়ই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাদের অবস্থা খুবই শঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেয়া হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ভোর সাড়ে চারটার দিকে হালিমা মঞ্জিল নামে একটি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি বাসায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর ওই ঘরে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই দগ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী আলমগীর হোসেন  বলেন, ওই বাসায় এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয় না। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির গ্যাসের সংযোগ রয়েছে। কোনো কারণে চুলা থেকে হয়তো গ্যাস লিক হয়েছিল, যে কারণে রান্নাঘরে গ্যাস জমে যায়। সেই জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে সবাই দগ্ধ হয়েছেন। তবে দগ্ধদের স্বজনরা বলছেন, ভবনটির লিফ্ট দির্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিলো। সেই লিফ্ট ছিড়ে পড়ে বিস্ফোরণ কীনা সেটিও খতিয়ে দেখা হোক।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© 2025 | Leading Media & Communication ltd এর এক‌টি প্রতিষ্ঠান।
Design & Development By HosterCube Ltd.