leadingnews.net
সর্বশেষ :
leadingnews.net এ আপনাকে স্বাগতম।।। নিত্য নতুন খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ।।।

হত্যাকাণ্ডে বিএনপি নেতা হাবিবের সম্পৃক্ততা

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৪ বার পঠিত

রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে হত্যায় জড়িত সন্দেহে সাবেক কাউন্সিলর বিএনপি নেতা খাজা হাবিবুল্লাহ হাবিবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার লালবাগ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও ওই ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৮ জুন রাতে রাজধানীর মৌচাকে একটি সালিশ বৈঠকের মধ্যে রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ঘটনায় পরদিন মামলা করেন নিহতের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন। মামলায় যুবদলের ২১ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

নিহতের ভাই সাবেক ছাত্রদল নেতা হেলাল সাদী বলেন, ‘খাজা হাবিবুল্লাহ হাবিব এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন কিনা, সেটি আমার জানা নেই। আমাদের মামলায় তিনি আসামিও নন। তাঁকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে ডিবি আমাদের কিছু জানায়নি। হয়তো তদন্তে তাঁর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।’ এর আগে এই মামলার এজাহারভুক্ত ৯ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে প্রধান অভিযুক্ত রমনা থানা যুবদলের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তিনি আগাম জামিনে আছেন।

রমনা থানা পুলিশ ঘটনার পর জানিয়েছিল, ফুটপাতের দোকান থেকে চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধের জেরে বিল্লাল হোসেনকে হত্যা করার কথা প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রও জানিয়েছে, ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণ ছিল যুবদল নেতা দিদারুল ইসলাম বাবুর হাতে। বিল্লাল সেখানে ভাগ বসানোর চেষ্টা করছিলেন।

যদিও এ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন নিহতের ভাই হেলাল সাদী। তিনি দাবি করেন, বিল্লালের ভাগনে আকাশ আনারকলি মার্কেটের সামনে একটি প্রসাধন সামগ্রীর দোকান দিয়েছিল। অভিযুক্ত বাবুর লোকজন তার কাছ থেকে চাঁদা চায়। চাঁদা দিতে না চাওয়া নিয়েই বাগ্‌বিতণ্ডার সূত্রপাত হয়। এই ঝামেলা সমাধানের কথা বলে ডেকে নিয়েই বিল্লালকে হত্যা করা হয়। তাঁর দাবি, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত। কারণ, সেদিন ইচ্ছা করেই সন্ধ্যা ৭টার পর মার্কেটের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো বন্ধ রাখা হয়।

এদিকে ঘটনার কয়েকদিন পর ফেসবুক লাইভে এসে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন যুবদল নেতা দিদারুল ইসলাম বাবু। তিনি বলেন, ‘বিল্লাল ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলার সময় যুবদল কর্মীর ওপর আকাশ, লাবলুসহ কয়েকজন ঝাঁপিয়ে পড়ে। অনেক চেষ্টা করেও মারামারি থামাতে পারিনি। কিন্তু এ ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। থানা যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে আমি একটা সালিশ বৈঠক করতেই পারি। কিন্তু আমি বিল্লালের গায়ে হাত দেইনি, একটা ধাক্কাও দেইনি। অথচ আমাকে এক নম্বর আসামি করে মামলা দেওয়া হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত আল আমিন, লুৎফুর, কামাল, সুজনসহ অনেক নেতাকর্মী সেখানে ছিলেনই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আনারকলি মার্কেটে ২৭ বছর ধরে ব্যবসা করি। কেউ বলতে পারবে না আমি চাঁদা নিয়েছি। আসলে আমি কমিশনার (কাউন্সিলর) ইলেকশন করতে চেয়েছি বলেই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© 2025 | Leading Media & Communication ltd এর এক‌টি প্রতিষ্ঠান।
Design & Development By HosterCube Ltd.