তাছাড়া জনশুমারি অনুযায়ী, ভারতের জনসংখ্যার ৬০ শতাংশের বেশি মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নিচে। ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনের নাগাদ ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী জেন-জি প্রজন্ম সবচেয়ে বড় ভোটার ব্লকে পরিণত হবে। তাই এই প্রজন্মের ভোট বিজেপির জন্য প্রয়োজন।
তরুণদের প্রতিক্রিয়া
তবে মোদির এই কৌশল পরিবর্তন নিয়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। সম্প্রতি আন্দোলনের মধ্যে প্রকাশিত মোদির সেলফি ভিডিও রিলে ‘ফ্রেন্ডস’ সম্বোধনের পর কয়েক মুহূর্তের নীরবতা নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক ট্রল। পরে অবশ্য মোদির সোশ্যাল মিডিয়া টিম আলো ও ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল পরিবর্তন করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে।
অনেকে মোদির উদ্যোগের প্রশংসা করলেও, ২২ বছর বয়সী জিনি মালিয়ার মতো অনেক তরুণ মনে করেন, জেন-জিদের ভাষায় কথা বলা হলেও মূল রাজনৈতিক উদ্বেগগুলো এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইনস্টাগ্রামে রাজনৈতিক ন্যারেটিভ নিয়ন্ত্রণ করা এক্স বা হোয়াটসঅ্যাপের মতো সহজ নয়। কারণ, অ্যালগরিদমের কারণে এটি সম্পূর্ণই প্রতিক্রিয়াকেন্দ্রিক। তারা বলছেন, ইনস্টাগ্রামে কনটেন্টের পারফরম্যান্স যাই হোক না কেন, বিজেপির মাঠ পর্যায়ের সাংগঠনিক শক্তি ও নির্বাচন জয়ের কৌশল এখনও সেকেলে।