সর্বশেষ :
leadingnews.net এ আপনাকে স্বাগতম।।। নিত্য নতুন খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ।।।
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে সন্ত্রা/সী/দের গু/লিতে আ/হত শিশু রেশমি আর নেই বিশ্বকাপে ফুটবলারদের স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কা, কিন্তু কেন নেতানিয়াহুর ‘গোপন সফর’ অস্বীকার করল আরব আমিরাত ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য চেয়েছে সরকার শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটিংয়ে ড্রাইভিং সিটে বাংলাদেশ ট্রাইব্যুনালে ২২৭৬ নেতাকর্মীকে গুম-খুনের ফের অভিযোগ বিএনপির ‘দায়িত্ব পালনে পুলিশ সক্ষমতার প্রমাণ দিলে নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।’ বিজয়ের শপথের পর যে স্মৃতি তুলে ধরে আবেগে ভাসলেন বাবা চন্দ্রশেখর ১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা কটিয়াদীতে পুরোনো দেয়াল ধসে ১১ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

ডার্ক ইগল ক্ষেপণাস্ত্র কী?

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৮ বার পঠিত

প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির লড়াইয়ে এক বৈপ্লবিক সংযোজন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ‘ডার্ক ইগল’। এটি মূলত একটি লং-রেঞ্জ হাইপারসোনিক উইপন, যা শব্দের চেয়ে কয়েক গুণ দ্রুতগতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো এই ব্যবস্থা মোতায়েন করার পর বিশ্বজুড়ে এটি নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

‘ডার্ক ইগল’ কোনো সাধারণ ক্ষেপণাস্ত্র নয়। এটি শব্দের চেয়ে অন্তত পাঁচ গুণ বেশি গতিতে ছুটতে পারে। এর পাল্লা বা রেঞ্জ প্রায় ১৭২৫ মাইল (প্রায় ২৭৭৬ কিলোমিটার)। অর্থাৎ, এটি কয়েক হাজার মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুকে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। এই অকল্পনীয় গতির কারণে শত্রুপক্ষের বর্তমান কোনো রাডার বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষেই একে শনাক্ত করা বা মাঝপথে ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব।

সাধারণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথ অনুসরণ করে চলে, যা আগে থেকে অনুমান করা যায়। কিন্তু ‘ডার্ক ইগল’ বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে পৌঁছে নিজের গতিপথ পরিবর্তন বা ম্যানুভার করতে পারে। এর ফলে এটি লক্ষ্যবস্তুর দিকে এঁকেবেঁকে অগ্রসর হতে পারে, যা একে প্রচলিত যেকোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি দুঃস্বপ্ন করে তুলেছে। এটি মূলত একটি ‘কমন হাইপারসোনিক গ্লাইড বডি’ বহন করে, যা বুস্টার রকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তীব্র গতিতে লক্ষ্যবস্তুর দিকে ধাবিত হয়।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ‘ডার্ক ইগল’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। মার্কিন সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি মোতায়েনের মূল উদ্দেশ্য হলো দীর্ঘ দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে অত্যন্ত দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জন করা। এটি এমন এক মারণাস্ত্র যা যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়কে কমিয়ে দেয় এবং যুদ্ধের মোড় মুহূর্তেই ঘুরিয়ে দিতে পারে। হাইপারসোনিক প্রযুক্তিতে রাশিয়া ও চীনের সাথে পাল্লা দিতেই যুক্তরাষ্ট্র এই বিধ্বংসী ‘ডার্ক ইগল’ তৈরি করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© 2025 | Leading Media & Communication ltd এর এক‌টি প্রতিষ্ঠান।
Design & Development By HosterCube Ltd.