গাজায় চলমান সংঘাতে ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডব এবং হামাসের পাল্টা লড়াই অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি, ইসরায়েল গাজা সিটি দখলের জন্য নতুন করে স্থল অভিযান শুরু করেছে, যেখানে ব্যাপক হামলা ও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।ইসরায়েলি বাহিনী গাজার বিভিন্ন স্থানে বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। গত কয়েক দিনে গাজা সিটির জেইতুন ও সাবরা এলাকায় তীব্র হামলা হয়েছে, যেখানে বহু ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ত্রাণ নিতে যাওয়া মানুষদের উপরও হামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে এ পর্যন্ত প্রায় ৬২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৯ হাজারের বেশি শিশু। গাজায় মানবিক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে এবং প্রায় ৮০% বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইসরায়েলের এই হামলার জবাবে হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোও প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাসসাম ব্রিগেড ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। সম্প্রতি, গাজার খান ইউনিস-এ হামাসের হামলায় বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি সেনা হতাহত হয়েছে। হামাস সুড়ঙ্গ বা টানেল ব্যবহার করে এই ধরনের হামলা চালাচ্ছে। ইসরায়েলি বাহিনী এসব টানেল খুঁজে বের করে হামাস যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।
বর্তমানে, যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনা চলছে। কাতার ও মিসর এই আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে। হামাস একটি নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে, যেখানে ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি এবং কিছু ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে ইসরায়েল এখনও এই প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে।