সোহেল রানা [খুলনা প্রতিনিধি]
খুলনা জেলার গড়াই খালি ইউনিয়নের দক্ষিণ আমিনপুর ৭ নং ওয়ার্ডে গাবতলা খাল দখল করে বেআইনিভাবে বেরিবাঁধ নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় পঙ্কজ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। এ খালটি এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ হওয়ায় এ দখল ও বাধ নির্মাণের ফলে কয়েকশো বিঘা জমির আমন ধান চাষ হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় বিশিষ্ট সমাজসেবক সরদার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “গাবতলা খাল এই এলাকার কৃষিজমির পানি নিষ্কাশনের একমাত্র মাধ্যম। পঙ্কজ ও তার ওয়ারিশেরা খাল দখল করে বাঁধ নির্মাণ করায় অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ২০০ থেকে আড়াইশো বিঘা জমির ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, প্রায় তিন মাস আগে সহকারী ভূমি অফিসারের কাছে এ বিষয়ে লিখিত দরখাস্ত প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পঙ্কজ সঠিক কোনো মালিকানার কাগজপত্র দেখাতে পারেননি এবং বারবার সময় নিয়ে অপসারণ কার্যক্রম বিলম্বিত করছেন।
সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান জানান, “এই দখলের কারণেই এলাকার মানুষ আজ কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছে। এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
বর্তমান ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিকাশ চন্দ্র বলেন, “আমি খবর পেয়ে পঙ্কজকে বাধ নির্মাণ না করার জন্য নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু তিনি কোনো কথা শোনেননি এবং জোরপূর্বক কাজ চালিয়ে গেছেন।”
স্থানীয় কৃষকদের দাবি, অবিলম্বে গাবতলা খাল থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কৃষকদের আর ক্ষতির মুখে না পড়তে হয়।প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।