leadingnews.net
সর্বশেষ :
leadingnews.net এ আপনাকে স্বাগতম।।। নিত্য নতুন খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ।।।

কুমিল্লা, হোমনায় মাজার ভাঙচুরের আসল কারণ প্রকাশ পেল

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫০ বার পঠিত

রাকিবুল হাসান [কুমিল্লা প্রতিনিধি]

কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রাসুলুল্লাহ (সা.) সম্পর্কে কটূক্তি ও অবমাননাকর পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে, যার এক পর্যায়ে বেশ কয়েকটি মাজারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, গণমাধ্যমে ঘটনাটির মূল কারণ রাসুল (সা.) অবমাননা ইচ্ছাকৃতভাবে আড়াল করে শুধুমাত্র ‘মাজার ভাঙচুর’ দিকটি প্রচার করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, “মোহসিন” নামের এক ব্যক্তি সম্প্রতি তার ফেসবুক আইডি থেকে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য ও কটূক্তি করেন। মুহূর্তের মধ্যেই বিষয়টি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। মুসলিম সমাজের ঈমানী আবেগে আগুন জ্বলে ওঠে। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
কিন্তু ঘটনার পরপরই জনমনে ক্ষোভ বিক্ষোভে রূপ নেয়। হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। উত্তেজিত জনতা প্রথমে স্লোগান দেয় এবং মিছিল করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে কয়েকটি মাজার ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।অভিযুক্ত মোহসিনকে আটক করা হয়। পাশাপাশি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা প্রায় ২,২০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। এবং দুইজন কে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছে।

এলাকাবাসী জানান, মাজার ভাঙচুর মূল বিষয় নয়, বরং এর পেছনে আসল কারণ হলো রাসুলুল্লাহ (সা.) কে অবমাননা করার অপরাধ। একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, গণমাধ্যমের বড় অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটনাটির মূল বিষয় আড়াল করছে এবং কেবল মাজার ভাঙচুরের সংবাদই প্রচার করছে। এতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং অপরাধীর আসল অপরাধ চাপা পড়ে যাচ্ছে।

একজন স্থানীয় শিক্ষক বলেন, “আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইজ্জতের প্রশ্নে কোনো আপস করতে পারি না। একজন মুসলমানের জন্য এটা ঈমানের বিষয়। অথচ গণমাধ্যম আসল কারণ লুকিয়ে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরাচ্ছে।
ঘটনার শুরুটা হলেও স্পষ্ট, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে অবমাননার মতো ভয়াবহ অপরাধ থেকেই এই বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের সূত্রপাত। মুসলমানদের ঈমানী আবেগের প্রতিফলনই হলো এ প্রতিক্রিয়া। অথচ প্রচারণায় বারবার ঘটনাটির আসল কারণকে আড়াল করে কেবল ‘মাজার ভাঙচুর’কে সামনে আনা হচ্ছে, যা অনেকের কাছে গভীর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© 2025 | Leading Media & Communication ltd এর এক‌টি প্রতিষ্ঠান।
Design & Development By HosterCube Ltd.