leadingnews.net
সর্বশেষ :
leadingnews.net এ আপনাকে স্বাগতম।।। নিত্য নতুন খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ।।।

ঐতিহাসিক মহাস্থান বাজারের ৫০ বছরের অপেক্ষার অবসান: ১.৩১ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪২ বার পঠিত

গুলজার রহমান [বগুড়া প্রতিনিধি]
​তারেক রহমানের সহযোগিতা ও মীর শাহে আলমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মসজিদ ও মাজার কমপ্লেক্সে বিপুল অর্থ বরাদ্দ অনুমোদনবগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক মহাস্থান বাজার মসজিদ ও হযরত শাহ সুলতান (রহ.) মাজার মসজিদ অবশেষে ৫০ বছর পর পেলো উন্নয়নের ছোঁয়া। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সহযোগিতা ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য মীর শাহে আলমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর সংস্কার ও সম্প্রসারণের জন্য মোট ১ কোটি ৩১ লক্ষ টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।

​দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের সমাপ্তি ঘটিয়ে, বাজারের কেন্দ্রীয় মসজিদটির নতুন ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। ১৯৭৫ সালে নির্মিত টিনের ছাপড়া মসজিদে মাত্র ২০-৩০ জন মুসল্লির স্থান হতো, যার ফলে নিত্যদিন হাজারো মানুষকে নামাজের স্থান সংকটে ভুগতে হতো। এলজিইডি থেকে ২১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ এনে এখন এই মসজিদের আধুনিকায়নের কাজ শুরু হলো।

​এছাড়াও, ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দে মহাস্থান হযরত শাহ সুলতান (রহ.) মাজার মসজিদ ও মাজার এলাকার সংস্কার কাজ পুনরায় শুরু হচ্ছে। প্রায় পাঁচ দশক ধরে অরক্ষিত থাকা সিঁড়ি এবং অসমাপ্ত তিনতলা ভবনের নির্মাণসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ এই প্রকল্পের অধীনে সম্পন্ন হবে।

​শনিবার সকাল ১১ টায় ভবন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সংস্কার কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মীর শাহে আলম, যিনি নওগাঁ ও গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য এবং বিসিক ও বিআরটিসির পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। পরে তিনি চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

​এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল ওহাব, পৌর বিএনপির সভাপতি বুলবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম, মাজার প্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল করিম, উপজেলা যুবদলের সভাপতি খালিদ হাসান আরমানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

​স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও ব্যবসায়ীদের মতে, আল্লাহর ঘর নির্মাণের জন্য এমন বৃহৎ উদ্যোগ তাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে এবং মহাস্থান এলাকার ইতিহাসে এক নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© 2025 | Leading Media & Communication ltd এর এক‌টি প্রতিষ্ঠান।
Design & Development By HosterCube Ltd.