
নিজেস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কথিত জোরপূর্বক ‘পুশইন’ কার্যক্রম এবং সীমান্তে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। সংগঠনটির প্রধান আমীরে শরীয়ত আল্লামা আবু জাফর কাসেমী বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে কোনো দেশের নাগরিককে জোরপূর্বক অন্য দেশে ঠেলে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল ৩টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির (মজলিসে আমেলা) বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আল্লামা কাসেমী বলেন, সীমান্তে কথিত ‘পুশইন’ কার্যক্রম এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী। তিনি সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং এ বিষয়ে কূটনৈতিকভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালা অনুসরণ করে সীমান্ত-সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার সমাধান করা উচিত। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় জনগণকে শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত ও গণতান্ত্রিক উপায়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে বক্তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সকলকে সচেতন ও প্রস্তুত থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র নায়েবে আমীর মোহাম্মাদ আজম খান, শায়খুল হাদীস আল্লামা আবুল কাসেম কাসেমী, মাওলানা আব্দুল কাদের কাসেমী, মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ হোসাইন আকন্দ, ডা. মুহাম্মদ খালেদ, মুফতি আসাদুল্লাহ জাকির, মাওলানা হাসান আল হাবীব, মাওলানা আমীর হামজা, হাফেজ মিজানুর রহমান এবং ছাত্রনেতা হাফেজ আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।