leadingnews.net
সর্বশেষ :
leadingnews.net এ আপনাকে স্বাগতম।।। নিত্য নতুন খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ।।।

কিশোরগঞ্জের হাওরে পর্যটকদের আনাগোনা শুরু

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ৬৯ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জের বিস্তীর্ণ হাওড় অঞ্চলে পানি বাড়ছে। পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় এ হাওরে পর্যটকদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। করিমগঞ্জের বালিখোলা হাওরের বিস্তীর্ণ জলরাশি। রয়েছে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামের দীর্ঘ অলওয়েদার সড়ক। এছাড়া রয়েছে হাওররাণী খ্যাত পর্যটন এলাকা নিকলীর বেড়িবাঁধ। মিঠামইনের প্রান্তসীমায় দিল্লীর আখড়া, অষ্টগ্রামের কুতুবশাহী মসজিদ, ইটনার শাহী মসজিদ, জয়সিদ্ধিতে র‌্যাংলার আনন্দমোহন বসুর বাড়ি, ধনপুরের কাঠুইরে গুরুদয়াল সরকারের বাড়ি, নিকলীর হাওর, ছাতিরচরের করচবন, সুলতানী আমলের গুরুই মসজিদ, নিকলী-করিমগঞ্জ সড়ক, তাড়াইলের হিজলজানি হাওর ইত্যাদি। এ সকল স্থানে ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকেরা।

দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রতিদিন হাওরে ছুটছেন সৌন্দর্য্য আর ভ্রমণপিপাসুরা। বিস্তীর্ণ জলরাশির মধ্যে মুহুর্মুহু আছড়ে পড়া উত্তাল ঢেউ আর ঢেউয়ের গর্জন। বুকভরে হাওরের নির্মল বাতাস নেওয়ার প্রশান্তি সত্যিই অসাধারণ। হাওরের নান্দনিক স্থানের মধ্যে দর্শনার্থীদের কাছে পছন্দের একটি নাম নিকলী বেড়িবাঁধ। নিকলী উপজেলা সদরে হাওরের ঢেউয়ের কবল থেকে রক্ষা করতে ২০০০ সালে প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এই বেড়িবাঁধটি নির্মাণ করা হয়। পরে ২০১০ সালে নিকলী উপজেলা পরিষদের সামনের প্রতিরক্ষা দেওয়াল বাঁধটিকেও বেড়িবাঁধ আকারে করে এর সাথে সংযুক্ত করা হয়। এরপর থেকেই দীর্ঘ ৬ কিলোমিটারের এই হাওর রক্ষা বাঁধটিকে কেন্দ্র করে নিকলী পর্যটন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। মিটামন, বালিখোলা, নিকলী বেড়িবাঁধে রং বেরঙের নৌকা ও স্পিডবোট আছে।

“পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আতিথেয়তায় কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বদা আপনার পাশে।” এ বাণীকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ প্রশাসন কিশোরগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী পর্যটন স্থানসমূহ (যেমন: নিকলী হাওর,বালিখোলা ঘাট ও মিঠামইন অলওয়েদার সড়ক ইত্যাদি) রক্ষায় এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা ও সিসিটিভি: পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি হোটেল, রিসোর্ট ও দর্শনীয় পয়েন্টগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখা। হাওর ও নৌ-পথের নিরাপত্তা: বিশেষ করে হাওর অঞ্চলে পর্যটকদের জন্য লাইফ জ্যাকেট বাধ্যতামূলক করা এবং নৌ-পরিবহনে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই রোধ করা।

হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া প্রতিরোধ: খাবার, আবাসন ও যাতায়াত ভাড়ায় পর্যটকদের যেন কোনো ধরনের হয়রানি বা অতিরিক্ত অর্থ গুণতে না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা। হেল্পডেস্ক ও জরুরি সেবা: যেকোনো সমস্যায় জেলা পুলিশ এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের তাৎক্ষণিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হটলাইন ও হেল্পডেস্কের কার্যকারিতা বাড়ানো। সন্ধ্যার মধ্যেই স্পট ত্যাগ করা। কিশোরগঞ্জের পর্যটন শিল্পকে আরও নিরাপদ, সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পুলিশ প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে শতভাগ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© 2025 | Leading Media & Communication ltd এর এক‌টি প্রতিষ্ঠান।
Design & Development By HosterCube Ltd.