সর্বশেষ :
leadingnews.net এ আপনাকে স্বাগতম।।। নিত্য নতুন খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ।।।
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে সন্ত্রা/সী/দের গু/লিতে আ/হত শিশু রেশমি আর নেই বিশ্বকাপে ফুটবলারদের স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কা, কিন্তু কেন নেতানিয়াহুর ‘গোপন সফর’ অস্বীকার করল আরব আমিরাত ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য চেয়েছে সরকার শান্ত-মুমিনুলের ব্যাটিংয়ে ড্রাইভিং সিটে বাংলাদেশ ট্রাইব্যুনালে ২২৭৬ নেতাকর্মীকে গুম-খুনের ফের অভিযোগ বিএনপির ‘দায়িত্ব পালনে পুলিশ সক্ষমতার প্রমাণ দিলে নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।’ বিজয়ের শপথের পর যে স্মৃতি তুলে ধরে আবেগে ভাসলেন বাবা চন্দ্রশেখর ১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা কটিয়াদীতে পুরোনো দেয়াল ধসে ১১ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

পঞ্চগড়ের তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচ.এস.সি পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি কেউ।

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬৮ বার পঠিত

আশিকুর রহমান রনি [পঞ্চগড় প্রতিনিধি]

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে এবারে পঞ্চগড় জেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ফলাফল প্রকাশের পর এই তথ্য জানা যায়।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বোদা উপজেলার বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার আলহাজ তমিজ উদ্দিন কলেজের কোনো শিক্ষার্থীই এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

তথ্য অনুযায়ী, বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়, যার মধ্যে ৪ জন অনুপস্থিত ছিলেন। মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১ জন অংশ নেয়, আর আলহাজ তমিজ উদ্দিন কলেজ থেকে অংশ নেয় ৪ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে ২ জন অনুপস্থিত ছিলেন।

বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নারগিস পারভিন মৌসুমী বলেন “ভর্তি হওয়ার পর সবাই বিবাহিত বন্ধনে আবদ্ধ হয়, তাই তারা পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ হারায়। যার ফলশ্রুতিতে কেউ পাস করতে পারেনি।”

আলহাজ তমিজ উদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষ হাসান আলী জানান “আমাদের প্রতিষ্ঠানের চারজনের মধ্যে দুজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। দুজনেরই পাস করার কথা ছিল। দুঃখজনক হলেও সত্য, তারা পাস করতে পারেনি।”

অন্যদিকে, মাড়েয়া মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সপেন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন, “আমাদের কলেজ এমপিওভুক্ত না হওয়া, শিক্ষক সংকটসহ নানা প্রতিন্ধকতার কারনে উক্ত পরীক্ষার্থী সফলভাবে উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

পঞ্চগড় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) খায়রুল আনাম মোঃ আফতাবুর রহমান হেলালী বলেন, “আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এমন ফলাফলে সচেতন মহলে তীব্র হতাশা ছড়িয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, শিক্ষক সংকট, অনিয়মিত ক্লাস ও পড়ালেখার প্রতি শিক্ষার্থীদের অনুৎসাহই এর মূল কারণ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© 2025 | Leading Media & Communication ltd এর এক‌টি প্রতিষ্ঠান।
Design & Development By HosterCube Ltd.