গাজায় ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের আশপাশে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিবর্ষণ নিয়ে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। ইসরায়েলি দৈনিক পত্রিকা হারেৎজ শুক্রবার জানিয়েছে, ইসরায়েলের সামরিক অ্যাডভোকেট জেনারেল দফতর
মিশরের নীলনদের বদ্বীপ প্রদেশ মেনুফিয়ার আশমাউন শহরে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। শুক্রবার (২৭ জুন) শ্রমিকদের নিয়ে একটি মাইক্রোবাস কর্মস্থলে
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে ৬ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে এ নিয়ে এখনো কোন সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। শনিবার (২৮ জুন) মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ফিলিপাইনের
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন চলছেই। এতে একের পর এক হামলায় ধ্বংস হচ্ছে স্থাপনা প্রাণ হারাচ্ছে নিরীহ ফিলিস্তিনিরা। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল শুক্রবার দিনভর ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর গোলাবর্ষণে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায়
অবশেষে যুদ্ধবিরতির ২ দিন পর নীরবতা ভাঙলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় সাম্প্রতিক সংঘাতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান বিজয়ী হয়েছে বলে
জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সির (আইএইএ) সঙ্গে সম্পর্ক স্থগিত করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন চলছেই। এতে একের পর এক হামলায় ধ্বংস হচ্ছে স্থাপনা প্রাণ হারাচ্ছে নিরীহ ফিলিস্তিনিরাল। তারই ধারাবাহিকতায় গত একদিনে কমপক্ষে আরও ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন
ইতালির গ্রীষ্ম এবার যেন সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস করছে নাগরিক আর পর্যটকরা। তাপদাহের প্রভাবে মন্দা পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্যে। আবহাওয়া অফিস বলছে, এই দাবদাহ থাকবে আরও অন্তত এক সপ্তাহ।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যুতে নতুন করে আলোচনায় বসার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। শুক্রবার (২৭ জুন)
পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ফের আলোচনার টেবিলে বসছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এমনটাই দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তিনি জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহেই হতে যাচ্ছে আলোচনা। তবে তিনি বলেন, ইরানের সব পরমাণু কেন্দ্র