ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, কমিটি অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত শিক্ষক থাকলে তাদের চিহ্নিত করবে, করণীয় নির্ধারণ করবে এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেবে। পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষকরা বিগত সরকারের আমলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন ও শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় জড়িত ছিলেন কি না, তাও তদন্ত করবে।
তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভিস রুলস এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন বলেন, ‘চিঠি পেয়েছি। আগামী শনিবার থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করব। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।’