leadingnews.net
সর্বশেষ :
leadingnews.net এ আপনাকে স্বাগতম।।। নিত্য নতুন খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ।।।

জাবির সিনেটে শূন্য থাকবে ২ আসন

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ৩৪ বার পঠিত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ৪৩তম বার্ষিক সিনেট অধিবেশন আজ। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল তিনটায় সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।

দীর্ঘ ৩৪ বছর পর জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় ৫ জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নিয়ে সিনেট অধিবেশন হওয়ার কথা থাকলেও ছাত্রত্ব শেষ হওয়ায় জাকসুর ভিপি ও জিএস সিনেট অধিবেশনে যেতে পারছেন না। ফলে ২টি আসন শূন্য রেখেই অংশগ্রহণ করতে হচ্ছে জাকসু প্রতিনিধিদের। তবে ২ টি আসন শূন্য হয়ে যাওয়ার বিষয়ে জাকসু এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ, ১৯৭৩-এর ধারা ১৯(১) (ক) অনুযায়ী সিনেটে পাঁচজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধির অন্তর্ভুক্তির বিধান রয়েছে। তবে অধ্যাদেশের ১৯(২) ধারা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব না থাকলে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সদস্যপদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত মে মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করায় জিএস মাজহারুল ইসলামের ছাত্রত্ব শেষ হয়। অন্যদিকে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হওয়ায় নিয়মানুযায়ী ছাত্রত্ব হারিয়েছেন ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী সিনেট অধিবেশনের আগেই এই শীর্ষ দুই ছাত্রনেতার সদস্যপদ বাতিল হয়ে গেছে।

এদিকে, দুটি আসন শূন্য হয়ে যাওয়ার পর নতুন প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়ে বিদ্যমান আইনে বাধা নেই বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী।

তিনি বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ছাত্রত্ব শেষ হলে কেউ শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে সিনেটে যেতে পারবে না। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে পাঁচজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি পাঠানোর কথা রয়েছে। সেখানে জাকসু থেকে ভিপি- জিএসকেই পাঠাতে হবে এমন কোনো নির্দেশনা নেই। সেক্ষেত্রে জাকসু চাইলে কার্যবিবরণীতে বিষয়টি উত্থাপন করে ভিপি- জিএসের পরিবর্তে নতুন প্রতিনিধি পাঠানোর সুযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান নিয়মের একটি ত্রুটি। জাকসুর পক্ষ থেকে দুজন প্রতিনিধি পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ধরনের সদিচ্ছা বা ইতিবাচক পদক্ষেপ দেখাচ্ছে না।’

জাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, ‘জাকসু মনোনিত পাঁচজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি সিনেটের জন্য মনোনীত করা হয়েছিল। সেখানে থেকে আমার এবং জিএসের শিক্ষাজীবন শেষ হয়ে যাওয়ায় সিনেটে যাওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।এটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন এবং জাকসুর গঠনতন্ত্র সাংঘর্ষিক হওয়ায় এ জটিলতা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী বিকল্প কাউকে যদি পাঠানো সম্ভব হয়, তাহলে সেটি আমরা করবো।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় আইন ও জাকসুর গঠনতন্ত্রের মধ্যে কিছুটা তারতম্য আছে। এটা আমাদের আগেই সংশোধন করা উচিত ছিল, কিন্তু আমরা সেটা করতে পারিনি। বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ১৯(২) অনুযায়ী ছাত্রত্ব না থাকলে কেউ অংশগ্রহণ করতে পারে না। অন্যদিকে জাকসুর গঠনতন্ত্রে ভিপি-জিএস অংশগ্রহণ করতে না পারলে বিকল্প প্রতিনিধি মনোনয়নের বিধান রয়েছে। সেক্ষেত্রে আমরা আইন পরামর্শকদের সাথে আলাপ আলোচনা করছি। আইন পরামর্শকদের পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© 2025 | Leading Media & Communication ltd এর এক‌টি প্রতিষ্ঠান।
Design & Development By HosterCube Ltd.